2010wc-তে শুধু খেলার মজা না, প্রতিটি পদক্ষেপে বাড়তি পুরস্কারও আছে। প্রথম ডিপোজিট থেকে শুরু করে নিয়মিত খেলার পুরস্কার পর্যন্ত — কোন বোনাস কীভাবে কাজ করে সব এখানে সহজ ভাষায় বলা হয়েছে।
2010wc-এ মোট ছয় ধরনের বোনাস পাওয়া যায়। প্রতিটির নিজস্ব শর্ত ও সুবিধা আছে।
নতুন সদস্য হিসেবে প্রথমবার ডিপোজিট করলে ১৫০% বোনাস পাবেন। ৳২,০০০ জমা দিলে পাবেন ৳৩,০০০ বোনাস — মোট ৳৫,০০০ নিয়ে শুরু করুন।
এককালীন তাৎক্ষণিকপ্রতি সোমবার নতুন ডিপোজিটে ৫০% রিলোড বোনাস পাওয়া যায়। পুরনো সদস্যদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ব্যালেন্স বাড়ানোর সেরা সুযোগ।
প্রতি সোমবার সকল সদস্যসেদিন ক্ষতি হলে পরদিন সকালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০% ক্যাশব্যাক যোগ হয়। কোনো আবেদন লাগে না, কোনো ওয়েজারিং শর্তও ন েই।
প্রতিদিন শর্তমুক্তপ্রতি সপ্তাহে নির্বাচিত স্লট গেমে ৫০টি ফ্রি স্পিন পাওয়া যায়। ৳২,০০০ বা তার বেশি ডিপোজিট করলেই এই বোনাস সক্রিয় হয়।
স্লট গেম সাপ্তাহিকবন্ধুকে 2010wc-এ আনুন এবং তার প্রথম ডিপোজিট নিশ্চিত হলেই ৳২০০ পান। কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই — যত বেশি বন্ধু, তত বেশি আয়।
সীমাহীন তাৎক্ষণিকDiamond ও Platinum স্তরের সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে ২৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার সুবিধা পান।
VIP সদস্য সাপ্তাহিক
2010wc-এ প্রথমবার অ্যাকাউন্ট খুলে ডিপোজিট করলে যে বোনাসটা পাওয়া যায় সেটাকে ওয়েলকাম বোনাস বলা হয়। এটাই সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় বোনাস। ১৫০% মানে আপনি যত টাকা জমা দেবেন তার দেড়গুণ বোনাস পাবেন। ধরুন ৳৫,০০০ জমা দিলেন — বোনাস হিসেবে আসবে ৳৭,৫০০। ফলে মোট ৳১২,৫০০ নিয়ে খেলা শুরু করতে পারবেন।
এই বোনাসের সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটা শুধু ক্রিকেট বেটিং বা শুধু ক্যাসিনোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না। 2010wc-এর যেকোনো বিভাগে — স্পোর্টস, ক্যাসিনো, লাইভ কার্ড, লটারি — সব জায়গায় এই বোনাস দিয়ে বাজি ধরা যাবে। তাই পছন্দমতো জায়গায় খেলে ওয়েজারিং পূরণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
একটা বিষয় মাথায় রাখবেন — ওয়েলকাম বোনাস নেওয়ার পর যদি মাঝপথে বাতিল করতে চান, তাহলে বোনাস ব্যালেন্স শূন্য হয়ে যাবে। তাই বোনাস সক্রিয় করার আগে মনস্থির করে নিন।
টিপস: ওয়েলকাম বোনাসের সুবিধা সবচেয়ে বেশি পাবেন যদি সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত ডিপোজিট করেন। ৳১৩,৩৩৩ জমা দিলেই সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ বোনাস পাওয়া যায়।
2010wc-এ যত বেশি সময় থাকবেন এবং খেলবেন, তত উপরের স্তরে উঠবেন। প্রতিটি স্তরে বোনাসের পরিমাণ ও সুবিধা বাড়তে থাকে।
প্রতি ৳১০০ বাজিতে ১ পয়েন্ট জমা হয়। মাস শেষে মোট পয়েন্টের ভিত্তিতে স্তর নির্ধারণ হয়। ক্যাসিনো ও স্পোর্টস উভয় বিভাগেই পয়েন্ট যোগ হয়।
নতুন স্তরে পৌঁছালে একটি বিশেষ আপগ্রেড বোনাস দেওয়া হয়। Gold-এ উঠলে ৳১,০০০, Platinum-এ ৳৩,০০০ এবং Diamond-এ ৳৮,০০০ বোনাস পাওয়া যায়।
বেটিংয়ের দুনিয়ায় প্রতিদিন জেতা সম্ভব না। কোনো একটা দিন হয়তো বড় হার হলো — সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু 2010wc-এ সেই ক্ষতির ১০% পরদিন সকালে ফিরে পাওয়া যায়, একদম বিনা শর্তে। এই ক্যাশব্যাক ব্যালেন্স রিয়েল মানি হিসেবেই গণ্য হয় — সঙ্গে সঙ্গে উইথড্র করা যায় বা আবার বাজিতে লাগানো যায়।
বাস্তব উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন আজকে আপনি মোট ৳৮,০০০ বাজি ধরলেন এবং ৳৩,৫০০ হারলেন। পরদিন সকালে ৳৩৫০ ক্যাশব্যাক আপনার অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। এটা ছোট মনে হলেও মাস শেষে দেখলে বেশ বড় একটা পরিমাণ দাঁড়ায়।
VIP স্তর বাড়লে ক্যাশব্যাকের হারও বাড়ে। Diamond স্তরে পৌঁছালে ২৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া সম্ভব। তখন ৳৩,৫০০ হারলে ফেরত আসে ৳৮৭৫ — এটা সত্যিই উল্লেখযোগ্য।
2010wc-এ বোনাস নেওয়া মাত্র কয়েকটি সহজ ধাপের ব্যাপার।
নিবন্ধন পেজে গিয়ে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন। পুরো প্রক্রিয়া ২ মিনিটেই শেষ।
ড্যাশবোর্ডের "বোনাস" সেকশনে গিয়ে কোন বোনাস নিতে চান সেটা নির্বাচন করে "সক্রিয় করুন" বাটনে ক্লিক করুন।
Mobile Pay, Nagad, রকেট বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমাণ জমা দিন। ডিপোজিট নিশ্চিত হলেই বোনাস যুক্ত হবে।
বোনাস দিয়ে খেলুন, ওয়েজারিং পূরণ করুন এবং জেতা টাকা রিয়েল মানিতে রূপান্তর করে উইথড্র করুন।
2010wc-এর রেফারেল প্রোগ্রামটা একটু আলাদা কারণ এখানে কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই। একজন বন্ধু আনলে ৳২০০, দশজন আনলে ৳২,০০০, একশজন আনলে ৳২০,০০০। যাদের বড় পরিচিত মহল আছে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালো যোগাযোগ আছে তাদের জন্য এটা অনেক বড় সুযোগ।
কাজটা করার পদ্ধতিও সহজ। আপনার প্রোফাইল থেকে একটা ইউনিক রেফারেল লিংক পাবেন। সেটা বন্ধুকে শেয়ার করুন। বন্ধু সেই লিংক দিয়ে নিবন্ধন করলে এবং প্রথম ডিপোজিট সম্পন্ন করলেই আপনার অ্যাকাউন্টে ৳২০০ যুক্ত হয়ে যাবে — কোনো ঝামেলা ছাড়াই।
রেফারেল বোনাসে ৫x ওয়েজারিং শর্ত আছে মানে ৳২০০ বোনাস পেলে ৳১,০০০ বাজি ধরলেই সেটা রিয়েল মানিতে পরিণত হয়। এটা পূরণ করতে সাধারণত এক থেকে দুই দিনের বেশি লাগে না।
কোন বোনাসে কী পাবেন তা এক নজরে দেখুন।
| বোনাসের ধরন | পরিমাণ | ওয়েজারিং | মেয়াদ | শর্তমুক্ত উইথড্রয়াল |
|---|---|---|---|---|
| ওয়েলকাম বোনাস | ১৫০% (সর্বোচ্চ ৳২০,০০০) | ১৫x | ৩০ দিন | |
| সাপ্তাহিক রিলোড | ৫০% (সর্বোচ্চ ৳৮,০০০) | ১২x | ৭ দিন | |
| দৈনিক ক্যাশব্যাক | ১০% (সর্বোচ্চ ৳৫,০০০) | নেই | কোনো মেয়াদ নেই | |
| ফ্রি স্পিন | ৫০ স্পিন/সপ্তাহ | ১০x জয় | ৭ দিন | |
| রেফারেল বোনাস | ৳২০০/বন্ধু | ৫x | কোনো মেয়াদ নেই | |
| VIP ক্যাশব্যাক | ৫% – ২৫% | নেই | সাপ্তাহিক |
2010wc-এ বোনাস নেওয়া ও ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা দরকার। এগুলো আসলে জটিল কিছু না — একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বুঝতে পারবেন।
প্রতিটি মোবাইল নম্বর ও ডিভাইস থেকে শুধু একটি অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করলে বোনাস বাতিল করার অধিকার 2010wc রাখে।
প্রতিটি বোনাসের নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে। মেয়াদ শেষ হলে ব্যবহার না হওয়া বোনাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।
৳১০,০০০-এর বেশি বোনাস উইথড্র করতে হলে পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ছবি একবার আপলোড করলেই হয়।
একই সময়ে দুটি বোনাস সক্রিয় রাখা যাবে না। একটি বোনাসের ওয়েজারিং শেষ হলেই পরবর্তী বোনাস সক্রিয় করুন।
অনেকেই ওয়েজারিং নিয়ে বিভ্রান্ত থাকেন। আসলে ব্যাপারটা একদম সহজ। ধরুন আপনি ৳১,০০০ বোনাস পেয়েছেন এবং ওয়েজারিং ১৫x। মানে ৳১৫,০০০ মোট বাজি ধরলেই বোনাসটা রিয়েল মানিতে পরিণত হয়ে উইথড্র করা যাবে।
উদাহরণ: ৳২,০০০ ডিপোজিটে ৳৩,০০০ ওয়েলকাম বোনাস পেলেন। ওয়েজারিং ১৫x মানে ৳৪৫,০০০ বাজি ধরতে হবে। প্রতিদিন ৳৩,০০০ বাজি ধরলে মাত্র ১৫ দিনেই শর্ত পূরণ হয়।
কোন ধরনের বাজি ওয়েজারিংয়ে গণনা হয়:
বোনাস সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে তার উত্তর একসাথে।
এখনই অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং ১৫০% ওয়েলকাম বোনাস দিয়ে শুরু করুন। নতুন সদস্যরা সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ বোনাস পাচ্ছেন।